চীনের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ নেওয়া দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান। আর শীর্ষ ২০ ঋণগ্রহীতার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ চীনা ঋণদাতাদের কাছে বাংলাদেশের ঋণের পরিমাণ ছিল ৬ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার।
বিশ্বব্যাংকের কাছে ঋণের তথ্য জমা দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে চীনা ঋণদাতাদের কাছে সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত ২০টি দেশের হিসাব বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে। গত ২২ অক্টোবর প্রকাশিত ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টের এক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংকের তথ্যের ভিত্তিতে এসব পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিকার শীর্ষে থাকা পাকিস্তানের চীনা ঋণের পরিমাণ ২২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যাঙ্গোলা, দেশটির ঋণ ১৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। ৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা।
চতুর্থ অবস্থানে থাকা ইথিওপিয়ার চীনা ঋণের পরিমাণ ৭ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। এরপরই রয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ শীর্ষ পাঁচ দেশের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি দেশ—পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ।
তালিকার পরের অবস্থানগুলোতে রয়েছে মিসর, কেনিয়া, জাম্বিয়া, নাইজেরিয়া ও লাওস। চীনের কাছে মিসরের ঋণ ৫ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার, কেনিয়ার ৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার এবং জাম্বিয়া, নাইজেরিয়া ও লাওসের প্রত্যেকের ঋণ প্রায় ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।
শীর্ষ ২০ ঋণগ্রহীতার তালিকায় আর্জেন্টিনা, সার্বিয়া ও বেলারুশের মতো দেশও রয়েছে। এতে দেখা যায়, চীনের ঋণদানের পরিধি শুধু এশিয়া ও আফ্রিকায় সীমাবদ্ধ নয়; ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোও চীনা অর্থায়নের ওপর নির্ভরশীল।
চীনের ঋণের বড় অংশ বিভিন্ন দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়েছে। সড়ক, রেলপথ, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও যোগাযোগব্যবস্থা নির্মাণে চীনা অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পাকিস্তানের বিদ্যুৎ ও পরিবহন অবকাঠামো এবং পূর্ব আফ্রিকার বিভিন্ন রেল ও যোগাযোগ প্রকল্প এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
তবে ঋণের পরিমাণের এই হিসাব কোনো দেশের মোট বৈদেশিক ঋণের চিত্র তুলে ধরে না। এটি মূলত চীনা ঋণদাতাদের কাছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ঋণের পরিমাণের তুলনামূলক হিসাব।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃসনজু মিয়া। উপদেষ্টাঃ- মোঃসিয়াম মিয়া। নির্বাহী সম্পাদক মোঃ জসিম মিয়া, বার্তা সম্পাদক মোঃরনজু মিয়া। ঢাকা অফিস : আরামবাগ, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগের ঠিকানা:-কিশোরগঞ্জ সদর । বার্তা কার্যালয়ঃ-ভৈরব কিশোরগঞ্জ। মোবাইল: ০১৫৬৮৩৪৬৫৯৫ ( সম্পাদক),
All rights reserved © 2025