
মোঃ আনোয়ার হোসেন ডিমলা নীলফামারী।
দেশের উত্তরের একটি উপজেলা নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা। ভারত থেকে ধেঁয়ে আসা তিস্তা নদী পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের
কালীগঞ্জ গ্রামের বুক চিরে ডিমলা উপজেলায় প্রবেশ করে পুর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী,টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী,ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
বর্ষা এলেই তিস্তা নদী উদ্মাদ নির্দয় হয়ে উঠে। তিস্তা পারের লোকজনের সাথে করে নির্মমতা। তিস্তা কোন গরীব ধনি বুঝে না।ভাঙ্গে তাদের বসত বাড়ী ভাঙ্গে জমি জিরাত। নিঃস্ব হয় মানুষ, পরিবার পরিজন নিয়ে অর্ধাহারে দিন কাটাতে হয়।
তিস্তা হয় দুঃখ সুখ বেদনার প্রতিক।
শুষ্ক মৌসুম এসেছে চরে বেকারত্ব ঘোচাতে ২৫জন বেকার যুবক একত্রিত হয়ে তারা চরের বিস্তীর্ণ এলাকায় তরমুজ চাষের পরিকল্পনা করে। তারা পরামর্শ নেয় ডিমলা উপজেলা কৃষি অফিসার মীর হাসান আল বান্না এর কিভাবে তরমুজ আগাম আবাদ করে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়। তিস্তার পলিবেষ্টিত মাটি তরমুজ চাষের উপযোগী হওয়ায় ২৫জন বেকার যুবক নিজেদের সহ অন্যান্য মালিকের নিকট চরের জমি বর্গা নিয়ে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের চরের ৩০০বিঘা জমিতে লাগায় আগাম জাতের তরমুজ। টেপার চর এখন পরিপূর্ণ এক তরমুজের ক্ষেত।চর কৃষিতে নতুন অধ্যায়ের সুচনা করে। তরমুজের গাছে গাছে ছেয়ে গেছে চর। ফল ধরেছে গাছে গাছে।
বেকার যুবক মিজানুর রহমান, জানায় আমরা আর বেকারত্ব করতে চাই না,চরের বিস্তীর্ণ এলাকায় তরমুজ চাষের পরিকল্পনা করে বেকারত্ব ঘোচাতে সক্ষম হবো। চর এলাকার ইউপি সদস্য গোলাম রাব্বানী ও আঃ ছালাম তারা যুবকদের বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়াকে স্হানীয় অনেকে স্বাগত জানিয়েছে।
এদিকে ডিমলা উপজেলা কৃষি অফিসার মীর হাসান আল বান্না জানায় তরমুজের চাষ আরো সম্প্রসারিত হলে চরের কৃষি জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক ভুমিকা রাখবে।
Post Views: 42