ঢাকাTuesday , 24 February 2026
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. রাজধানী
  12. রাজনীতি
  13. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মাগুরায় দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ককটেল বিস্ফোরণ আহত ১০

Link Copied!

মাহফুজার রহমান, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি :

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল ইউনিয়নের ছোনগাছা-দোসতিনা গ্রামে সোমবার রাতে দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।  আহতদের মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শ্রীপুর থানাধীন শ্রীকোল ইউনিয়নের দোসতিনা ও ছোনগাছা গ্রামে সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইটা গ্রুপ বিদ্যমান। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেয় মোঃ সালেক সর্দার (৬০), অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দেয় খন্দকার হাবিবুর রহমান হাবিব (৪৫), হাবিব গ্রুপের মোঃ মুকুল(৪০) দোসতিনা বাজারস্থ আলিমের চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ছালেক সর্দার গ্রুপের দোসতিনা গ্রামের ফিরোজ সর্দার (৩৫), রাশেদুল সর্দার (৪৫), সজল সর্দার (২৭), জহুর শেখ (৩০) ও ছোনগাছা গ্রামের রুবেল শেখ(৩০), সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জন সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করেন।
এই ঘটনার জেড় ধরে হাবিব গ্রুপের লোকজন ঢাল-সর্কি ও দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে দোসতিনা বাজারে আসা মাত্রই সালেক সর্দার গ্রুপের লোকজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তখন হাবিব গ্রুপের লোকজন ঘটনাস্থলে সালেক সর্দার গ্রুপের সমর্থক দোসতিনা গ্রামের  মোঃ হালিম সর্দার (৪৫), খোকন সর্দার (৫৫) কে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে মারপিট করে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করেন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে শ্রীপুর  থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় পক্ষের সামাজিক লোকজন ভিকটিমদের উদ্ধারপূর্বক চিকিৎসার জন্য  মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নিয়ে ভর্তি করেন। এঘটনায় এলাকাতে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন মিয়া জানান, মারামারির ঘটনায় তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এছাড়াও যে কোনো ধরণের সহিংসতা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।