ঢাকাSaturday , 31 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. বিনোদন
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. সারাদেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন অমানুষদের কারখানা : এমপি ফজলুর রহমান

Link Copied!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ‘অমানুষদের কারখানা’ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমান। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে লেখাপড়া, ভর্তি হওয়া ও শিক্ষকতা করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর এমন মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব মন্তব্য করেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বক্তব্যের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটির ঐতিহাসিক অবদানের কথা তুলে ধরেন ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একসময় দেশের শিক্ষা, সাহিত্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি আবদুল ওহাব, আবুল হোসেনসহ কবি-সাহিত্যিক এবং জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, মুজাফফর আহমদ চৌধুরী, নীলিমা ইব্রাহিম, নাজমা চৌধুরী, আহমদ শরীফ, হুমায়ুন আজাদ ও হুমায়ূন আহমদের মতো ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ফজলুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার কী আছে? সেখানে কারও ভর্তি হওয়া উচিত নয়। এটা তো একটা মাদরাসা, সিনিয়র মাদরাসা।’

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন স্বাধীনতাবিরোধী ‘অমানুষদের একটা কারখানা’ হয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, যে বিশ্ববিদ্যালয়ে গোলাম আযম ও নিজামীর ছবি টাঙানো হয়, সেখানে তাঁদের জাতির নেতা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।

ফজলুর রহমান পেশায় একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা। রাজনৈতিক জীবনের একপর্যায়ে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোরগঞ্জ জেলায় মুজিব বাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তাঁর এই বক্তব্যের পর বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বক্তব্যের একাংশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক অবদানের প্রশংসা করলেও বর্তমান ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।