ঢাকাThursday , 5 November 2026
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. গণমাধ্যম
  8. জনপ্রিয় সংবাদ
  9. জাতীয়
  10. বিনোদন
  11. বিনোদন
  12. রাজধানী
  13. রাজনীতি
  14. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইউপি নির্বাচনের তালিকা ফের যাচাই করছে ইসি, বাদ পড়েছে কোন ইউনিয়ন?

Link Copied!

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা আবারও যাচাইয়ের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তালিকায় কোনো ইউনিয়নের নাম বাদ পড়েছে কি না, আইনি জটিলতা ও সীমানা বিরোধের তথ্য সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত চিঠি থেকে বিষয়টি জানা গেছে। চিঠিতে আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে যাচাই করা তথ্য নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-৩ শাখায় লিখিতভাবে পাঠাতে বলা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন উপজেলার নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা জেলা নির্বাচন কার্যালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। তবে তালিকায় সব নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়নের নাম সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, তা পুনরায় যাচাই করা প্রয়োজন। কোনো ইউনিয়নের নাম বাদ পড়লে কিংবা নাম, তারিখ, আদালতের মামলা, সীমানা বিরোধ ও ভোটার তালিকা পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত তথ্যে ভুল থাকলে তা সংশোধন করে পাঠাতে হবে।

এ ছাড়া যেসব ইউনিয়নের আইনি জটিলতা বা সীমানাসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয়েছে, সেসব তথ্যও হালনাগাদ করতে বলা হয়েছে। যাচাই শেষে তালিকায় কোনো সংশোধনের প্রয়োজন না থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিতভাবে তা নিশ্চিত করতে হবে।

ইসি ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ধাপে ২৭ মে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

দেশে মোট ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৮০। এর মধ্যে চলতি বছর ৩ হাজার ৯৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপযোগী হওয়ার কথা। বাকি ইউনিয়নগুলো ২০২৭ ও ২০২৮ সালে নির্বাচন উপযোগী হবে। আইনি জটিলতা, সীমানা বিরোধ ও ভোটার তালিকা-সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে সেগুলোর কারণে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচিতে প্রভাব পড়তে পারে।

এ অবস্থায় নির্বাচন উপযোগী ইউনিয়নের তালিকা নির্ভুল করা এবং জটিলতাগুলো চিহ্নিত করতেই জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নতুন করে তথ্য নিচ্ছে কমিশন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য পাওয়ার পর তালিকায় প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে।